• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিলমারীতে রেললাইন ও স্লিপার বসানোর দাবিতে মানববন্ধন

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি।। নির্ধারিত সময়সীমা বারবার অতিক্রম করার পরও কুড়িগ্রামের উলিপুর থেকে চিলমারীর রমনা রেলস্টেশন পর্যন্ত রেলপথ সংস্কার কাজ শেষ হয়নি। কাজের ধীরগতি, অনিয়ম ও তদারকির অভাবের প্রতিবাদে রমনা রেলস্টেশন মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রী ও এলাকাবাসী। সোমবার (৪ মে) দুপুরে রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ১০কিলোমিটার এই রেলপথ সংস্কারের কাজ শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল ২০২৩সালের নভেম্বর মাস। প্রাথমিকভাবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কাজ শেষের লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব হয়নি। পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন মাস এবং সর্বশেষ ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সময় বাড়লেও কাজের তেমন কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রেললাইনের বিভিন্ন অংশে এখনো পর্যাপ্ত ব্যালাস্ট (পাথর) ফেলা হয়নি এবং পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিপারগুলো এখনো রয়েছে। ট্র্যাক মজবুতকরণের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ট্রেন চলাচলের গতি ঘণ্টায় মাত্র ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি, কাজের নিম্নমান এবং তদারকির অভাবেই প্রকল্পটি দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়েছে। এতে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও সাধারণ মানুষ কোন ভাবেই সুফল পাচ্ছেন না। গত কয়েক বছরে এই রুটে একাধিকবার ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানান।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ হোসেন পাখী, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আবু হানিফা, রমনা ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সচিব সোহানুর রহমানসহ আরও অনেক বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রত রেললাইনে পাথর ফেলা, স্লিপার প্রতিস্থাপন ও ট্র্যাক মজবুত করণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রমনা রেলস্টেশন আধুনিকায়ন ও এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিও করেন তারা। দাবি পূরণ না হলে, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। স্থানীয় যাত্রীদের ভাষ্য, ধীর গতিতে ট্র্রেন চলাচলের কারণে যাতায়াতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে তাদের জন্য। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক, মোহাম্মদ তসলিম আহমেদ খানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ